ছোট বেলায় আমাদের গরু নিয়ে কম উৎসাহ ছিল না। আমরা থাকতামও একসাথে। আব্বু যে দিন গরু আনতে যাইত সেদিন সব কাজ বাদ দিয়ে আমরা বারান্দায় দাড়ায় থাকতাম। আর যখন গরু আসতো তখন আমরা গরুর সাথে নিচে (নিচে মানে বিল্ডিঙের নিচে গ্যেরেজে) থাকতাম।
সারাদিন গরুকে ঘাস খাওয়ানো, পাতা খাওয়ানো এইসব চলত। আমাদের নিজেদের দিকে তাকানোর সময় ছিলনা তখন। যদিও আম্মুর ভয়ে বাসায় আসতে হইত তারপরও এ
কটু পরপর উঁকি দিয়ে দেখতাম গরুটা কি করতিছে। শাওন মনে আছে গরুর ঘাস আনতে আমরা ওই ডগি ওয়ালা বাসাটায় গেছিলাম!
একবার একটা কাল গরু কোরবানির সময় পালায় গেছিলো। পরে সেটাকে লাল মাঠ থেকে ধরে আনা হইছিল। আরেকবার একটা লাল রঙের গরু আনা হইছিল। ওইটাকে শুধু গরু বললে ভুল হবে। বলা উচিৎ মাঙ্কি কাও। রাতের বেলা দেয়াল টপকায় পাশের বাসায় চলে গেছিলো!!
আর এখন তো বড় হয়ে গেছি! এখন আর গরুর প্রতি সে রকম আকর্ষণ নাই। এখন আর গরুর সাথে খেলা হয় না। ফেসবুকে ভার্চুয়াল গরু দেখে পুরানো স্মৃতি তাজা করা হয়।
সারাদিন গরুকে ঘাস খাওয়ানো, পাতা খাওয়ানো এইসব চলত। আমাদের নিজেদের দিকে তাকানোর সময় ছিলনা তখন। যদিও আম্মুর ভয়ে বাসায় আসতে হইত তারপরও এ
কটু পরপর উঁকি দিয়ে দেখতাম গরুটা কি করতিছে। শাওন মনে আছে গরুর ঘাস আনতে আমরা ওই ডগি ওয়ালা বাসাটায় গেছিলাম!
একবার একটা কাল গরু কোরবানির সময় পালায় গেছিলো। পরে সেটাকে লাল মাঠ থেকে ধরে আনা হইছিল। আরেকবার একটা লাল রঙের গরু আনা হইছিল। ওইটাকে শুধু গরু বললে ভুল হবে। বলা উচিৎ মাঙ্কি কাও। রাতের বেলা দেয়াল টপকায় পাশের বাসায় চলে গেছিলো!!
আর এখন তো বড় হয়ে গেছি! এখন আর গরুর প্রতি সে রকম আকর্ষণ নাই। এখন আর গরুর সাথে খেলা হয় না। ফেসবুকে ভার্চুয়াল গরু দেখে পুরানো স্মৃতি তাজা করা হয়।
No comments:
Post a Comment